স্বেচ্ছায় থানায় উপস্থিতি, কিন্তু এজাহারে ‘গ্রেপ্তার’—পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ
নেশন টুডে২৪ নিউজ ডেস্ক | আতাউর রহমান বিক্রমপুরী
ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার এজাহারকে কেন্দ্র করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইসলামি আলোচক আতাউর রহমান বিক্রমপুরী। তিনি দাবি করেছেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি সিদ্দিক প্রকৃত ঘটনা বিকৃত করে এজাহারে মিথ্যা তথ্য অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার আসামিরা পুলিশের হাতে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার হননি কিংবা পালানোর চেষ্টা করেননি। বরং পুলিশের অনুরোধে তারা স্বেচ্ছায় যাত্রাবাড়ী থানায় উপস্থিত হন। তিনি অভিযোগ করেন, বাস্তবতা ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তদন্ত কর্মকর্তা এজাহারে উল্লেখ করেছেন যে আসামিদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে এবং তারা পালানোর চেষ্টা করেছিলেন।
তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বে তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে তদন্তে কোনো অসত্য তথ্য সংযোজন করা হবে না এবং কেবল সত্য ঘটনাই নথিভুক্ত করা হবে। কিন্তু পরে তিনি এজাহারে ভিন্ন তথ্য দেখতে পান, যা তার ভাষায় ‘প্রতারণা’ ও ‘মিথ্যাচার’-এর শামিল।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি প্রকাশ্য ও যাচাইযোগ্য ঘটনাতেই এমন অসঙ্গতি থাকে, তাহলে রিমান্ড চলাকালে সংগৃহীত তথ্য বা পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদনের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। তিনি দাবি করেন, এ কারণেই তিনি আগাম পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের বিশেষ শাখায় আইনজীবীদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণের কারণে মামলার এজাহার ছাড়া অন্য গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। ফলে রিমান্ড আবেদন ও আদেশসহ অন্যান্য নথি পর্যালোচনার সুযোগ সীমিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর ব্যক্তিগত বক্তব্য ও দাবি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন