২২ বছর পর সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যা চেষ্টা মামলার রায়: হাফেজ নাঈমের মৃত্যুদণ্ড ঘিরে প্রশ্ন ও বিতর্ক
ডেস্ক রিপোর্ট | নেশন টুডে২৪
সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ ২২ বছর পর সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত-কে হত্যাচেষ্টার একটি মামলার রায় ঘোষণা করেছে। রায়ে আটজন আসামিকে খালাস দেওয়া হলেও জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফেজ নাঈম আহমদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, একই মামলায় অধিকাংশ আসামি খালাস পেলেও শুধুমাত্র হাফেজ নাঈমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ায় বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, হাফেজ নাঈমের বিরুদ্ধে ঘটনাস্থলে উপস্থিতির প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বা স্বাধীন প্রমাণ ছিল না। এছাড়া একই ঘটনার বিস্ফোরক মামলায় তিনি খালাস পেয়েছিলেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। সমালোচকদের অভিযোগ, মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রধান ভিত্তি ছিল ১৬৪ ধারায় দেওয়া একটি জবানবন্দি, যা পরে প্রত্যাহার (রিট্র্যাক্ট) করা হয়েছিল।
তাদের আরও দাবি, ওই জবানবন্দিতে যাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ ছিল, তাদের মধ্যে কয়েকজন খালাস পেয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র একজন আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে ন্যায়বিচার ও প্রমাণের মানদণ্ড সম্পর্কে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তবে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর বিচারক কোন আইনি যুক্তি ও প্রমাণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তা আরও স্পষ্ট হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষ চাইলে উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার আইনগত সুযোগ রয়েছে।
নেশন টুডে২৪-এর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিচারসংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়নের আগে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন